CPC Viva Voce Test-1

দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮

টেস্ট- ১

উত্তরঃ পদ্ধতিগত বা কার্যপ্রণালী সংক্রান্ত আইন।

উত্তরঃ ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী।

উত্তরঃ ৬৫৩ টি ধারা ছিল কিন্তু কোন আদেশ বা বিধির উল্লেখ ছিল না।

উত্তরঃ The Code of Civil Procedure

উত্তরঃ ৫ (পাঁচ) প্রকার; যথাঃ ১। জেলা জজ আদালত; ২। অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত; ৩। যুগ্ম জেলা জজ আদালত; ৪। সিনিয়র সহকারী জজ আদালত এবং ৫। সহকারী জজ আদালত।

উত্তরঃ ২ ভাগে, যথাঃ ১। পদ্ধতিগত আইন; ২। মৌলিক বা মূল আইন।

উত্তরঃ লিখিতভাবে দরখাস্ত দিয়ে তা আদালতে দাখিল করতে হবে।

উত্তরঃ কোন বিতর্কিত বিষয় সম্পর্কে আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত বা প্রকাশিত বক্তব্যই হচ্ছে ডিক্রি।

উত্তরঃ ২ ধরনের, যথাঃ ১। প্রাথমিক ডিক্রি; ২। চূড়ান্ত ডিক্রি।

উত্তরঃ দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন যুগ্ম জেলা জজ।

উত্তরঃ দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন সহকারী জজ।

উত্তরঃ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে সম্পত্তির পরিমাণ বেশি, সে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

উত্তরঃ আরজি প্রত্যাখান ও ১৪৪ ধারায় প্রদত্ত প্রত্যার্পণের আদেশ।

উত্তরঃ অবসরপ্রাপ্ত কোন জেলা জজকে, পক্ষগণের নিযুক্ত কোন আইনজীবী নন এমন কোন অ্যাডভোকেট এবং বিরোধ নিষ্পত্তিতে প্রশিক্ষিত কোন ব্যক্তিকে।

উত্তরঃ প্রজাতন্ত্রের লাভজনক কোন ব্যক্তিকে।

উত্তরঃ যার পক্ষে ডিক্রি দেওয়া হয়।

উত্তরঃ যার বিপক্ষে ডিক্রি দেওয়া হয়।

উত্তরঃ ৩ প্রকার। যথাঃ ১। আর্থিক এখতিয়ার; ২। আঞ্চলিক এখতিয়ার; ৩। বিষয়বস্তুর এখতিয়ার।

উত্তরঃ মোকদ্দমা বিচারে বাধা।

উত্তরঃ মোকদ্দমা দায়েরে বাধা।

উত্তরঃ ২ প্রকার। যথাঃ ১। প্রত্যক্ষ রেস জুডিকাটা; ২। পরোক্ষ রেস জুডিকাটা।

উত্তরঃ ৫টি। যথাঃ ১। একই পক্ষ; ২। একই বিচার্য বিষয়; ৩। একই স্বত্ব; ৪। আদালতের বিচারের এখতিয়ার এবং ৫। চূড়ান্ত নিস্পত্তি।

উত্তরঃ ১। জেলা জজ আদালত; ২। অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত; ৩। যুগ্ম জেলা জজ আদালত; ৪। সিনিয়র সহকারী জজ আদালত এবং ৫। সহকারী জজ আদালত।

উত্তরঃ হ্যাঁ একই ব্যক্তি। যখন দেওয়ানী মোকদ্দমার বিচার করেন, তখন নাম হয় জেলা জজ। যখন ফৌজদারী মামলার বিচার করেন, তখন নাম হয় দায়রা জজ।

উত্তরঃ ডিক্রি বা আদেশের ভিত্তি।

উত্তরঃ আছে, কপি রাইট, পেটেন্ট ডিজাইন, ট্রেড মার্ক ইত্যাদি সংক্রান্ত মোকদ্দমা সরাসরি গ্রহণ করে থাকেন।

উত্তরঃ লিখত জবাব দাখিলের জন্য সরকারকে ৩ মাস সময় প্রদান করতে হবে।